Class 8 Ganit Prabha | কষে দেখি ১.২


এই পোস্টে West Bengal Board Class 8 এর গণিত প্রভা বইয়ের কষে দেখি ১.২ সম্পূর্ণ সমাধান দেওয়া হল। এখানে এমনভাবে বোঝানো হয়েছে যাতে যাদের গণিত একদম দুর্বল বা নতুন, তারাও বুঝতে পারে।


প্রশ্ন ১: চিত্রে কাঠির সংখ্যা বের করি

প্রথমে আমরা কোনো সূত্র মুখস্থ করব না। আগে দেখব, বুঝব, তারপর লিখব।

(ক)

চিত্র অনুযায়ী কাঠির সংখ্যা:

  • ১ম চিত্র → 6 টি কাঠি
  • ২য় চিত্র → 11 টি কাঠি
  • ৩য় চিত্র → 16 টি কাঠি

ধাপ ১: কীভাবে সংখ্যা বাড়ছে দেখো

6 থেকে 11 → 5 টা বেড়েছে
11 থেকে 16 → আবার 5 টা বেড়েছে

👉 মানে, প্রতিবার 5 করে বাড়ছে

ধাপ ২: n মানে কী?

n মানে হল চিত্রের নম্বর

  • n = 1 → প্রথম চিত্র
  • n = 2 → দ্বিতীয় চিত্র

ধাপ ৩: নিয়ম বানাই

প্রথম চিত্রে আছে = 6 টি কাঠি
এরপর প্রতি চিত্রে = 5 টি করে বাড়ছে

তাই লিখি:

কাঠির সংখ্যা = প্রথম সংখ্যা + (চিত্র সংখ্যা − 1) × বাড়ার সংখ্যা

= 6 + (n − 1) × 5

ধাপ ৪: সহজ করি

= 6 + 5n − 5
= 5n + 1

উত্তর: n-তম চিত্রে কাঠির সংখ্যা = 5n + 1


(খ)

কাঠির সংখ্যা:

  • ১ম → 7
  • ২য় → 12
  • ৩য় → 17

ধাপ ১: পার্থক্য দেখি

7 → 12 = +5
12 → 17 = +5

ধাপ ২: আগের মতোই নিয়ম

= 7 + (n − 1) × 5

= 7 + 5n − 5
= 5n + 2

উত্তর: 5n + 2


(গ)

কাঠির সংখ্যা:

  • 5
  • 9
  • 13

ধাপ ১: পার্থক্য দেখি

5 → 9 = +4
9 → 13 = +4

ধাপ ২: সূত্র বসাই

= 5 + (n − 1) × 4

= 5 + 4n − 4
= 4n + 1

উত্তর: 4n + 1


প্রশ্ন ২: সমবাহু ত্রিভুজের পরিসীমা

একটি সমবাহু ত্রিভুজ মানে – তিনটা বাহুই সমান

এক বাহু = (4y + 2)

ধাপ ১: পরিসীমা মানে কী?

সব বাহু যোগ করা

ধাপ ২: কয়টা বাহু?

3 টা

ধাপ ৩: হিসাব

পরিসীমা = 3 × (4y + 2)

= 12y + 6

উত্তর: 12y + 6


প্রশ্ন ৩: আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল

দৈর্ঘ্য = (8x + 3y)
প্রস্থ = (8x − 3y)

ধাপ ১: সূত্র জানি

ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ

ধাপ ২: বসাই

= (8x + 3y)(8x − 3y)

ধাপ ৩: সহজ সূত্র

(a + b)(a − b) = a² − b²

= (8x)² − (3y)²
= 64x² − 9y²


প্রশ্ন ৪: বর্গক্ষেত্র

এক বাহু = (3m − 4)

(ক) ক্ষেত্রফল

বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = বাহু × বাহু

= (3m − 4)²

(খ) পরিসীমা 8 হলে m

পরিসীমা = 4 × বাহু

4(3m − 4) = 8

12m − 16 = 8
12m = 24
m = 2


প্রশ্ন ৫: নীচের ছক পূরণ করি

এই প্রশ্নে আমাদের তিনটি কাজ করতে হবে:

  • যোগ করি → সব রাশি যোগ
  • বিয়োগ করি → এক রাশি থেকে আরেকটি বিয়োগ

গুরুত্বপূর্ণ কথা:
x² শুধু x²-এর সাথেই যোগ বা বিয়োগ হবে। y² শুধু y²-এর সাথে। অন্যথায় কখনোই মিশবে না।


৫ (a)

(i) = x² + 2y²
(ii) = −8y² + 6x² + z²

যোগ করি: (i) + (ii)

ধাপ ১: পাশাপাশি লিখি

(x² + 2y²) + (−8y² + 6x² + z²)

ধাপ ২: বন্ধনী খুলে দিই

x² + 2y² − 8y² + 6x² + z²

ধাপ ৩: একই রাশি একসাথে করি

x² + 6x² = 7x²
2y² − 8y² = −6y²

ফলাফল:

7x² − 6y² + z²


বিয়োগ করি: (i) − (ii)

ধাপ ১: সূত্র লিখি

(x² + 2y²) − (−8y² + 6x² + z²)

ধাপ ২: বিয়োগ মানে চিহ্ন উল্টে যাবে

x² + 2y² + 8y² − 6x² − z²

ধাপ ৩: যোগ করি

x² − 6x² = −5x²
2y² + 8y² = 10y²

ফলাফল:

10y² − 5x² − z²


৫ (b)

(i) = 6a² + 2
(ii) = −3a² + 3a
(iii) = −2a + 3

(i) + (ii) + (iii)

ধাপ ১: সব একসাথে লিখি

(6a² + 2) + (−3a² + 3a) + (−2a + 3)

ধাপ ২: বন্ধনী খুলে দিই

6a² + 2 − 3a² + 3a − 2a + 3

ধাপ ৩: একই রাশি একত্র করি

6a² − 3a² = 3a²
3a − 2a = a
2 + 3 = 5

ফলাফল:

3a² + a + 5


(ii) − (i)

(−3a² + 3a) − (6a² + 2)

= −3a² + 3a − 6a² − 2

= −9a² + 3a − 2


(iii) − (i)

(−2a + 3) − (6a² + 2)

= −2a + 3 − 6a² − 2

= −6a² − 2a + 1


৫ (c)

(i) = 9m² − 2mn + n²
(ii) = m² + n²
(iii) = m² − 3mn − 2n²

(i) + (ii) + (iii)

9m² − 2mn + n² + m² + n² + m² − 3mn − 2n²

m²: 9 + 1 + 1 = 11m²
mn: −2mn − 3mn = −5mn
n²: n² + n² − 2n² = 0

ফলাফল:

11m² − 5mn


(i) − (ii)

(9m² − 2mn + n²) − (m² + n²)

= 9m² − 2mn + n² − m² − n²

= 8m² − 2mn


(ii) − (iii)

(m² + n²) − (m² − 3mn − 2n²)

= m² + n² − m² + 3mn + 2n²

= 3mn + 3n²


প্রশ্ন ৬: নীচের ছক দেখি ও লিখি

এই প্রশ্নে দুইটা কাজ আছে:

  • গুণ করি → (i) × (ii)
  • ভাগ করি → (i) ÷ (ii)

মনে রাখবে (খুব জরুরি):
গুণ করার সময় → সব গুণ
ভাগ করার সময় → এক এক করে ভাগ


৬ (a)

(i) = 9a³b² − 15a²b³
(ii) = 3ab

গুণ করি: (i) × (ii)

ধাপ ১: পুরো রাশিটাকে 3ab দিয়ে গুণ

(9a³b² − 15a²b³) × 3ab

ধাপ ২: আলাদা আলাদা গুণ করি

9a³b² × 3ab = 27a⁴b³
−15a²b³ × 3ab = −45a³b⁴

ফলাফল:

27a⁴b³ − 45a³b⁴


ভাগ করি: (i) ÷ (ii)

(9a³b² − 15a²b³) ÷ 3ab

ধাপ ১: আলাদা আলাদা ভাগ করি

9a³b² ÷ 3ab = 3a²b
−15a²b³ ÷ 3ab = −5ab²

ফলাফল:

3a²b − 5ab²


৬ (b)

(i) = x⁴ − 4x³ + 6x²
(ii) = x²

গুণ করি: (i) × (ii)

(x⁴ − 4x³ + 6x²) × x²

ধাপ ১: প্রতিটা পদে x² গুণ

x⁴ × x² = x⁶
−4x³ × x² = −4x⁵
6x² × x² = 6x⁴

ফলাফল:

x⁶ − 4x⁵ + 6x⁴


ভাগ করি: (i) ÷ (ii)

(x⁴ − 4x³ + 6x²) ÷ x²

ধাপ ১: এক এক করে ভাগ

x⁴ ÷ x² = x²
−4x³ ÷ x² = −4x
6x² ÷ x² = 6

ফলাফল:

x² − 4x + 6


৬ (c)

(i) = 3m²n³ + 40m³n⁴ − 5m⁴n⁵
(ii) = 10m²n²

গুণ করি: (i) × (ii)

(3m²n³ + 40m³n⁴ − 5m⁴n⁵) × 10m²n²

ধাপ ১: প্রতিটা পদের সাথে গুণ

3m²n³ × 10m²n² = 30m⁴n⁵
40m³n⁴ × 10m²n² = 400m⁵n⁶
−5m⁴n⁵ × 10m²n² = −50m⁶n⁷

ফলাফল:

30m⁴n⁵ + 400m⁵n⁶ − 50m⁶n⁷


ভাগ করি: (i) ÷ (ii)

(3m²n³ + 40m³n⁴ − 5m⁴n⁵) ÷ 10m²n²

ধাপ ১: এক এক করে ভাগ

3m²n³ ÷ 10m²n² = 3/10 n
40m³n⁴ ÷ 10m²n² = 4mn²
−5m⁴n⁵ ÷ 10m²n² = −1/2 m²n³

ফলাফল:

(3/10)n + 4mn² − (1/2)m²n³


৬ (d)

(i) = 49l² − 100m²
(ii) = 7l + 10m

গুণ করি: (i) × (ii)

ধাপ ১: সূত্র চিনে নিই

49l² − 100m² = (7l)² − (10m)²

ধাপ ২: গুণ

(49l² − 100m²)(7l + 10m)

= 343l³ − 700lm² + 490l²m − 1000m³


ভাগ করি: (i) ÷ (ii)

(49l² − 100m²) ÷ (7l + 10m)

ধাপ ১: সূত্র ব্যবহার

a² − b² = (a − b)(a + b)

= (7l − 10m)(7l + 10m)

ধাপ ২: ভাগ

= 7l − 10m


প্রশ্ন ৭: সরল করিঃ

এই প্রশ্নে আমাদের কাজ খুব সহজ:

  • বন্ধনী খুলব
  • একই অক্ষরগুলো একসাথে করব
  • যেগুলো কেটে যাবে, কেটে দেব

কোনো কঠিন নিয়ম নেই।


৭ (i)

প্রদত্ত রাশি:

(a − b) + (b − c) + (c − a)

ধাপ ১: সব বন্ধনী খুলে লিখি

= a − b + b − c + c − a

ধাপ ২: একই অক্ষর খুঁজি

+a এবং −a → কেটে গেল
−b এবং +b → কেটে গেল
−c এবং +c → কেটে গেল

ধাপ ৩: কী রইল?

কিছুই রইল না

উত্তর: 0


৭ (ii)

প্রদত্ত রাশি:

(a + b)(a − b) + (b + c)(b − c) + (c + a)(c − a)

ধাপ ১: একটি খুব সহজ সূত্র জানি

(x + y)(x − y) = x² − y²

ধাপ ২: এক এক করে সূত্র বসাই

(a + b)(a − b) = a² − b²
(b + c)(b − c) = b² − c²
(c + a)(c − a) = c² − a²

ধাপ ৩: সব যোগ করি

= (a² − b²) + (b² − c²) + (c² − a²)

ধাপ ৪: কাটাকাটি করি

+a² এবং −a² → কেটে গেল
−b² এবং +b² → কেটে গেল
−c² এবং +c² → কেটে গেল

ধাপ ৫: কী রইল?

কিছুই না

উত্তর: 0

প্রশ্ন ৭ (iii): সরল করিঃ

প্রদত্ত রাশি:

x² × (x/y − y/x) × (y/x + x/y) × y²

ভয় পাওয়ার কিছু নেই। আমরা একদম ধাপে ধাপে করব।


ধাপ ১: ভগ্নাংশ দুটো ঠিকভাবে লিখি

x/y − y/x = (x² − y²) / (xy)

y/x + x/y = (y² + x²) / (xy)

👉 কারণ: ভগ্নাংশ যোগ-বিয়োগ করতে হলে হর এক করতে হয়।


ধাপ ২: এখন পুরো রাশিটা লিখি

x² × (x² − y²)/(xy) × (y² + x²)/(xy) × y²


ধাপ ৩: উপরের সংখ্যা একসাথে করি

উপরে আছে:

x² × (x² − y²) × (x² + y²) × y²

নিচে আছে:

xy × xy = x²y²


ধাপ ৪: উপরের ও নিচের একই জিনিস কাটাকাটি করি

উপরে x² আছে, নিচে x² আছে → কেটে গেল
উপরে y² আছে, নিচে y² আছে → কেটে গেল


ধাপ ৫: এখন কী রইল?

= (x² − y²)(x² + y²)


ধাপ ৬: খুব সহজ সূত্র ব্যবহার করি

(a − b)(a + b) = a² − b²

এখানে,

a = x²
b = y²


ধাপ ৭: সূত্র বসাই

= (x²)² − (y²)²

= x⁴ − y⁴


চূড়ান্ত উত্তর

x⁴ − y⁴


প্রশ্ন ৭: সরল করিঃ

এই প্রশ্নে আমাদের কাজ:

  • বন্ধনী খুলব
  • একই রাশিগুলো একসাথে করব
  • যেগুলো কেটে যাবে, কেটে দেব

৭ (iv)

প্রদত্ত রাশি:

a(b − c) + b(c − a) + c(a − b)

ধাপ ১: সব বন্ধনী খুলে লিখি

= ab − ac + bc − ab + ca − bc

ধাপ ২: কাটাকাটি করি

+ab এবং −ab → কেটে গেল
−ac এবং +ca → কেটে গেল
+bc এবং −bc → কেটে গেল

উত্তর: 0


৭ (v)

প্রদত্ত রাশি:

x²(y² − z²) + y²(z² − x²) + z²(x² − y²)

ধাপ ১: সব গুণ করি

= x²y² − x²z² + y²z² − y²x² + z²x² − z²y²

ধাপ ২: একই রাশি খুঁজি

x²y² এবং −y²x² → কেটে গেল
−x²z² এবং +z²x² → কেটে গেল
+y²z² এবং −z²y² → কেটে গেল

উত্তর: 0


৭ (vi)

প্রদত্ত রাশি:

(x³ + y³)(x³ − y³) + (y³ + z³)(y³ − z³) + (z³ + x³)(z³ − x³)

ধাপ ১: খুব সহজ সূত্র ব্যবহার করি

(a + b)(a − b) = a² − b²

ধাপ ২: এক এক করে সূত্র বসাই

(x³ + y³)(x³ − y³) = x⁶ − y⁶
(y³ + z³)(y³ − z³) = y⁶ − z⁶
(z³ + x³)(z³ − x³) = z⁶ − x⁶

ধাপ ৩: সব যোগ করি

= (x⁶ − y⁶) + (y⁶ − z⁶) + (z⁶ − x⁶)

ধাপ ৪: কাটাকাটি

+x⁶ এবং −x⁶ → কেটে গেল
+y⁶ এবং −y⁶ → কেটে গেল
+z⁶ এবং −z⁶ → কেটে গেল

উত্তর: 0


প্রশ্ন ৮: বর্গ করি

এখানে আমরা শুধু এই দুইটি অভেদ ব্যবহার করব:

(a + b)² = a² + 2ab + b²
(a − b)² = a² − 2ab + b²


৮ (i)

(5x − 2y)²

= (5x)² − 2×5x×2y + (2y)²

= 25x² − 20xy + 4y²


৮ (ii)

(7 + 2m)²

= 7² + 2×7×2m + (2m)²

= 49 + 28m + 4m²


৮ (iii)

(x + y + z)²

প্রথমে মনে রাখি:

(x + y + z)² = x² + y² + z² + 2xy + 2yz + 2zx

উত্তর:

x² + y² + z² + 2xy + 2yz + 2zx


৮ (iv)

(a + b − c − d)²

ধাপ ১: এটাকে দুই ভাগে ভাবি

= (a + b − (c + d))²

ধাপ ২: সূত্র ব্যবহার করি

= (a + b)² − 2(a + b)(c + d) + (c + d)²

ধাপ ৩: এক এক করে বিস্তৃত করি

(a + b)² = a² + 2ab + b²
(c + d)² = c² + 2cd + d²

−2(a + b)(c + d) = −2ac − 2ad − 2bc − 2bd

চূড়ান্ত উত্তর:

a² + b² + c² + d² + 2ab + 2cd − 2ac − 2ad − 2bc − 2bd

9. (a+b)2 =a2+2ab +b2 এবং (a-b)2 = a2-2ab+b2 – এই অভেদগুলি ব্যবহার করে নীচের সংখ্যামালাগুলি পূর্নবর্গাকারে প্রকাশ করিঃ

আমরা এই দুটি অভেদ ব্যবহার করব:

  • (a + b)2 = a2 + 2ab + b2
  • (a − b)2 = a2 − 2ab + b2

i) 9x2 + 9 / 25y218x / 5y

ধাপ ১: পদগুলো সাজাই

= 9x218x / 5y + 9 / 25y2

ধাপ ২: লক্ষ্য করি

  • 9x2 = (3x)2
  • 9 / 25y2 = (3 / 5y)2
  • মাঝের পদ = −2 × 3x × 3/5y

পূর্ণবর্গ:

(3x − 3/5y)2


ii) 25m2 − 70mn + 49n2

ধাপ ১: আলাদা করে দেখি

  • 25m2 = (5m)2
  • 49n2 = (7n)2
  • −70mn = −2 × 5m × 7n

পূর্ণবর্গ:

(5m − 7n)2


iii) (2a − b)2 + (4a − 2b)(a + b) + (a + b)2

ধাপ ১: অংশগুলো খুলে লিখি

(2a − b)2 = 4a2 − 4ab + b2

(4a − 2b)(a + b) = 4a2 + 2ab − 2b2

(a + b)2 = a2 + 2ab + b2

ধাপ ২: সব যোগ করি

= 9a2

পূর্ণবর্গ:

(3a)2


প্রশ্ন (iv)

পূর্ণবর্গাকারে প্রকাশ করো:
p2/q2 + q2/p2 − 2


ধাপ ১: প্রথম ও শেষ পদ লক্ষ্য করি

আমরা দেখি,
p2/q2 = (p/q)2
q2/p2 = (q/p)2

অর্থাৎ প্রথম ও শেষ পদ দুটি বর্গ।

ধাপ ২: মাঝের পদ বিশ্লেষণ করি

মাঝের পদ = −2

আমরা জানি,
−2 = −2 × (p/q) × (q/p)

ধাপ ৩: অভেদের সঙ্গে মিলাই

প্রদত্ত অভেদ:
(a − b)2 = a2 − 2ab + b2

এখানে,
a = p/q এবং b = q/p

চূড়ান্ত উত্তর

(p/q − q/p)2

অভেদ চিনে নিলে পূর্ণবর্গ করা খুব সহজ হয়ে যায়।


১০. নীচের সংখ্যামালাকে দুটি বর্গের অন্তর রূপে প্রকাশ করিঃ

আমরা জানি,
(a+b)(a−b) = a2 − b2


(i) 391 × 409

ধাপ ১: মধ্য সংখ্যা নিই

391 = 400 − 9
409 = 400 + 9

ধাপ ২: সূত্র প্রয়োগ করি

391 × 409 = (400 − 9)(400 + 9)

= 4002 − 92


(ii) (4x + 3y)(2x − 3y)

ধাপ ১: রাশিটিকে (a+b)(a−b) আকারে সাজাই

(4x + 3y)(2x − 3y)
= (3x + (x+3y))(3x − (x+3y))

ধাপ ২: সূত্র প্রয়োগ করি

এখানে,
a = 3x, b = (x+3y)

= (3x)2 − (x+3y)2


(iii) x

এখানে শুধুমাত্র x আছে, তাই আমরা ১ নিই।

ধাপ ১: ১ যোগ ও বিয়োগ করি

x = x + 1 − 1

ধাপ ২: দুটি বর্গের অন্তর আকারে লিখি

x = ((x+1)/2)2 − ((x−1)/2)2


১১. উৎপাদকে বিশ্লেষণ করিঃ

মনে রাখার সূত্র

  • a² − b² = (a − b)(a + b)
  • x² + 2x + 1 = (x + 1)²
  • একই গুণনীয়ক থাকলে আগে বাইরে বার করতে হবে

(i) 225m² − 100n²

= (15m)² − (10n)²

= (15m − 10n)(15m + 10n)


(ii) 25x² − 1/9 y²z²

= (5x)² − (1/3 yz)²

= (5x + 1/3 yz)(5x − 1/3 yz)


(iii) 7ax² + 14ax + 7a

= 7a(x² + 2x + 1)

= 7a(x + 1)²

= 7a(x + 1)²


(iv) 3x⁴ − 6x²a² + 3a⁴

= 3(x⁴ − 2x²a² + a⁴)

= 3(x² − a²)²

= 3(x² − a²)²


(v) 4b²c² − (b² + c² − a²)²

= (2bc)² − (b² + c² − a²)²

= (2bc − b² − c² + a²)(2bc + b² + c² − a²)


(vi) 64ax² − 49a(x − 2y)²

= a[(8x)² − (7(x − 2y))²]

= a(8x − 7(x − 2y))(8x + 7(x − 2y))


(vii) x² − 9 − 4xy + 4y²

= (x − 2y)² − 3²

= (x − 2y − 3)(x − 2y + 3)


(viii) x² − 2x − y² + 2y

= (x − 1)² − (y − 1)²

= (x − y)(x + y − 2)


(ix) 3 + 2a − a²

= −(a² − 2a − 3)

= (3 − a)(a + 1)


(x) x⁴ − 1

= (x²)² − 1²

= (x − 1)(x + 1)(x² + 1)


(xi) a² − b² − c² + 2bc

= a² − (b − c)²

= (a − b + c)(a + b − c)


(xii) ac + bc + a + b

= a(c + 1) + b(c + 1)

= (a + b)(c + 1)


(xiii) x⁴ + x²y² + y⁴

= (x² + y²)² − (xy)²

= (x² + y² − xy)(x² + y² + xy)


১২. সূত্রের সাহায্যে গুণ করিঃ

ব্যবহৃত সূত্রসমূহ

  • (a + b)(a − b) = a² − b²
  • (x + y + z)(x − y + z) = (x + z)² − y²

(i) (xy + pq)(xy − pq)

এটি (a+b)(a−b) সূত্রের আকারে আছে

= (xy)² − (pq)²

= x²y² − p²q²


(ii) 49 × 51

= (50 − 1)(50 + 1)

= 50² − 1²

= 2500 − 1 = 2499


(iii) (2x − y + 3z)(2x + y + 3z)

এখানে y-এর চিহ্ন আলাদা, তাই সূত্র ব্যবহার করি

= (2x + 3z)² − y²

= 4x² + 12xz + 9z² − y²

= 4x² + 12xz + 9z² − y²


(iv) 1511 × 1489

= (1500 + 11)(1500 − 11)

= 1500² − 11²

= 2250000 − 121

= 2249879


(v) (a − 2)(a + 2)(a² + 4)

প্রথম দুইটি গুণ করি

= (a² − 4)(a² + 4)

= (a²)² − 4²

= a⁴ − 16


(vi) (a + b − c)(b + c − a)

রূপান্তর করি

= (b + (a − c))(b − (a − c))

= b² − (a − c)²

= b² − (a² − 2ac + c²)

= b² − a² + 2ac − c²

১৩. (a) প্রমাণ করো

দেওয়া আছে,
x + 1/x = 4

দেখাতে হবে,
(i) x² + 1/x² = 14
(ii) x⁴ + 1/x⁴ = 194


ধাপ ১: x² + 1/x² নির্ণয়

আমরা জানি,
(x + 1/x)² = x² + 2 + 1/x²

দেওয়া মান বসাই:

(4)² = x² + 2 + 1/x²

16 = x² + 2 + 1/x²

⇒ x² + 1/x² = 16 − 2

= 14

অতএব,
x² + 1/x² = 14


ধাপ ২: x⁴ + 1/x⁴ নির্ণয়

আমরা জানি,
(x² + 1/x²)² = x⁴ + 2 + 1/x⁴

এখন ধাপ ১ থেকে পাওয়া মান বসাই:

(14)² = x⁴ + 2 + 1/x⁴

196 = x⁴ + 2 + 1/x⁴

⇒ x⁴ + 1/x⁴ = 196 − 2

= 194

অতএব,
x⁴ + 1/x⁴ = 194


চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত

  • x² + 1/x² = 14
  • x⁴ + 1/x⁴ = 194

প্রমাণিত।

১৩. (b) প্রমাণ করো

দেওয়া আছে,
m + 1/m = −5

দেখাতে হবে,
m² + 1/m² = 23


সমাধান

দেওয়া আছে,
m + 1/m = −5

উভয়পক্ষকে বর্গ করি,

(m + 1/m)² = (−5)²

⇒ m² + 2·m·(1/m) + (1/m)² = 25

⇒ m² + 2 + 1/m² = 25

⇒ m² + 1/m² = 25 − 2

= 23

অতএব,
m² + 1/m² = 23

[প্রমাণিত]


১৩. (c) দেওয়া আছে

p − 1/p = m

দেখাতে হবে,
(i) p² + 1/p² = m² + 2
(ii) (p + 1/p)² = m² + 4


(i) প্রমাণ করো: p² + 1/p² = m² + 2

দেওয়া আছে,
p − 1/p = m

উভয়পক্ষকে বর্গ করি,

(p − 1/p)² = m²

⇒ p² − 2·p·(1/p) + (1/p)² = m²

⇒ p² − 2 + 1/p² = m²

⇒ p² + 1/p² = m² + 2

[প্রমাণিত]


(ii) প্রমাণ করো: (p + 1/p)² = m² + 4

দেওয়া আছে,
p − 1/p = m

আমরা জানি,
(p + 1/p)² = (p − 1/p)² + 4·p·(1/p)

⇒ (p + 1/p)² = m² + 4

[প্রমাণিত]


চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত

  • m² + 1/m² = 23
  • p² + 1/p² = m² + 2
  • (p + 1/p)² = m² + 4

১৩. (d) প্রমাণ করো

দেওয়া আছে,
(a + b) = 5 এবং (a − b) = 1

দেখাতে হবে,
8ab(a² + b²) = 624


সমাধান

আমরা জানি,
(a + b)² = a² + 2ab + b²

⇒ 5² = a² + 2ab + b²
⇒ a² + b² + 2ab = 25 ...(1)

আবার,
(a − b)² = a² − 2ab + b²

⇒ 1² = a² − 2ab + b²
⇒ a² + b² − 2ab = 1 ...(2)

(1) ও (2) যোগ করি,

⇒ 2(a² + b²) = 26
⇒ a² + b² = 13

(1) ও (2) বিয়োগ করি,

⇒ 4ab = 24
⇒ ab = 6

এখন,
8ab(a² + b²) = 8 × 6 × 13

= 624

[প্রমাণিত]


১৩. (e)

দেওয়া আছে,
x − y = 3 এবং xy = 28

নির্ণয় করো,
x² + y²


সমাধান

আমরা জানি,
(x − y)² = x² − 2xy + y²

⇒ 3² = x² − 2×28 + y²

⇒ 9 = x² + y² − 56

⇒ x² + y² = 9 + 56

= 65


১৪. দুটি বর্গের সমষ্টি রূপে প্রকাশ করিঃ


(a) 2(a² + b²)

= a² + b² + a² + b²

= (a + b)² + (a − b)²


(b) 50x² + 18y²

= 2(25x² + 9y²)

= (5x + 3y)² + (5x − 3y)²


(c) a² + b² + c² + d² + 2(ac − bd)

রাশি সাজাই,

= (a² + c² + 2ac) + (b² + d² − 2bd)

= (a + c)² + (b − d)²

= (a + c)² + (b − d)²


চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত

  • 8ab(a² + b²) = 624
  • x² + y² = 65
  • সব রাশি দুটি বর্গের সমষ্টি আকারে প্রকাশ করা হয়েছে

১৬. সমাধান করিঃ


(iv) x/4 − x/2 = 3½ − x/3

প্রথমে ভগ্নাংশ দূর করি।
৪, ২ ও ৩-এর ল.সা.গু = 12

উভয়পক্ষকে 12 দিয়ে গুণ করি,

⇒ 12(x/4) − 12(x/2) = 12(7/2) − 12(x/3)

⇒ 3x − 6x = 42 − 4x

⇒ −3x = 42 − 4x

⇒ −3x + 4x = 42

⇒ x = 42

উত্তর: x = 42


(v) 2x − 5{7 − (x − 6) + 3x} − 28 = 39

প্রথমে বন্ধনী খুলে লিখি,

7 − (x − 6) + 3x = 7 − x + 6 + 3x = 13 + 2x

এখন মূল সমীকরণে বসাই,

⇒ 2x − 5(13 + 2x) − 28 = 39

⇒ 2x − 65 − 10x − 28 = 39

⇒ −8x − 93 = 39

⇒ −8x = 39 + 93

⇒ −8x = 132

⇒ x = −16.5

উত্তর: x = −16.5


(vi) (x − 2)/3 + (x + 3)/4 = (x + 4)/5 + 15

৩, ৪ ও ৫-এর ল.সা.গু = 60

উভয়পক্ষকে 60 দিয়ে গুণ করি,

⇒ 20(x − 2) + 15(x + 3) = 12(x + 4) + 900

⇒ 20x − 40 + 15x + 45 = 12x + 48 + 900

⇒ 35x + 5 = 12x + 948

⇒ 35x − 12x = 948 − 5

⇒ 23x = 943

⇒ x = 41

উত্তর: x = 41


সংক্ষেপে উত্তর

  • (iv) x = 42
  • (v) x = −16.5
  • (vi) x = 41

শেষ কথা

এই পোস্টটি বানানো হয়েছে তাদের জন্য যারা গণিতে একদম নতুন। এখানে কোনো শর্টকাট নেই, শুধু বোঝা।